কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫ এ ০৮:০৫ PM

ইউডিসিতে আমার সফলতা

কন্টেন্ট: পাতা

২০০৯ সালের পূর্বের দিকে তাকালে আজকের অবস্থান আর অতীতের অবস্থানের পরিবর্তন আমাকে বিস্মিত করে। একসময় গ্রামের লোকজন আমাকে তেমন চিনত না, আজ তারা আমার কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত ডিজিটাল সেবা গ্রহণ করছেন। গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নের গোঘাট গ্রামের দরিদ্র পরিবারে জন্ম হলেও, আমার স্বপ্ন ছিল তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যবস্থাকে উন্নত করা।

দারিদ্র্যের কষাঘাতে হতাশায় দিন কাটলেও একসময় রেডিও মেকানিকের কাজ শুরু করি। ২০০৮ সালে একটি কম্পিউটার কিনে তথ্যপ্রযুক্তিতে হাতেখড়ি হয়। নিজস্ব কাজের পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের কিছু কাজও করতাম। ২০১১ সালে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তা হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের জনগণের দোরগোড়ায় কৃষি, স্বাস্থ্য, প্রশাসনিক ও জনসেবা পৌঁছে দিতে শুরু করি।

অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন সম্ভব হয়। ২০১২ সালে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তা নির্বাচিত হওয়ার পর একই বছরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তা পুরস্কার লাভ করি। পরবর্তীতে ২০১৩, ২০১৪, ২০১৫, ২০১৬, ২০১৭ ও ২০২২ সালে জেলা বর্ষসেরা উদ্যোক্তা নির্বাচিত হই।

২০২০ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের মুজিব শতবর্ষ ই-সেবা ক্যাম্পেইনে দেশসেরা উদ্যোক্তা (১ম স্থান) হিসেবে পুরস্কৃত হই। এছাড়া ২০১৮ সালে এটুআই আয়োজিত দেশসেরা উদ্যোক্তা সম্মেলনে দেশসেরা উদ্যোক্তা ঘোষণা করা হয়। ২০১৪ সালে রংপুর বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তা নির্বাচিত হই।

বর্তমানে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ইউডিসির মাধ্যমে আন্তরিকতার সাথে সেবা প্রদান করছি। স্বপ্ন দেখি প্রত্যন্ত অঞ্চলে আইসিটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার। ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদের সহায়তায় কামারজানি ইউডিসি-২ প্রতিষ্ঠা করেছি এবং কামারজানি ডিজিটাল কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের মাধ্যমে বেকার যুবকদের দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।

ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন