গাইবান্ধা: গাইবান্ধায় সবগুলো নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। ফলে সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এ পর্যন্ত বন্যায় গাইবান্ধার ১৯টি ইউনিয়নের ৫ হাজার ১২০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ৩০ কি.মি. সড়কের ক্ষতি হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল মোস্তফা মো. আসাফুদ্দৌলা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তামুখঘাট পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ১০ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়ে গতকাল শুক্রবার বিপদ সীমার ২৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি ৫ সে.মি. ঘাঘটের পানি ৯ সে.মি. ও করতোয়ার পানি ৪৬ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বিপদ সীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলা প্রশাসক ড. কাজী আনোয়ারুল হক জানান, ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া, ফুলছড়ি, এরেন্ডাবাড়ী, ফজলুপুর, উড়িয়া, গজারিয়া ও উদাখালী, সাঘাটার ভরতখালি, ঘুড়িদহ, জুমারবাড়ী, হলদিয়া ও সদর, সুন্দরগঞ্জের হরিপুর, কাপাসিয়া, বেলকা, তারাপুর ও চন্ডিপুর এবং সদর উপজেলার কামারজানী ও মোল্লারচর ইউনিয়ন বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। এসব এলাকার অন্তত ২শ পরিবার ইতিমধ্যে বাড়িঘর সরিয়ে নিয়ে পার্শ্ববর্তী বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সড়কের পাশে উঁচু জায়গায় আশ্রয় গ্রহণ করেছে। ত্রাণ মন্ত্রণালয় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণের জন্য ২০০ টন চাল ও নগদ ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। বরাদ্দকৃত চাল ও টাকা বিতরণের কাজ শুরু হয়েছে।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস