বাংলাদেশ সরকারের স্বপ্ন বাংলোদেশকে ডিজিটালাইজড করা। এরেই ধারাবাহিকতায় বিভাগীয় পোর্টাল থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পোর্টাল বর্তমানে সারা দেশে নির্মানাধীন রয়েছে এবং এর ফলাফল পেতে শুরু করেছে গ্রাম থেকে শহরাঞ্চল পর্যন্ত। যেমনঃ কামারজানী ইউনিয়নে ২০০২ সালে আনুমানিক ১৮ বছর বয়সের হানিফ পাগল নামের এক পাগল কামারজানী বাজারে আসে। সেই পাগল শান্তশিষ্ট হিসাবে এলাকার সবাই তাকে ভালবাসত। সব সময় সবাই দেখা-শোনা করত। অনেক সময় অনেকে হানিফ পাগলার আত্মীয় হিসাবে পরিচয় দিয়ে তাকে নিতে এলে হানিফ পাগল তাদেরকে চিনে না এবং তাদের সাথে যেতে চায় না। এক পর্যায়ে ২৪ শে জুলাই/১৩ইং সালের তার বড় ভাই এবং চাচা যেকোন ভাবে হানিফের সন্ধান পেয়ে সন্ধ্যার সময় কামারজানী বাজারে এসে বলে আমি হানিফের ভাই হানিফ কে নিতে এসেছি। তখন কামারজানী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য (৪নং ওয়ার্ড) মোঃ সেকেন্দার আলী তাদের কথা বিশ্বাস করতে ছিল না। তখন তারা বলেন, আমি আসার সময় চেয়ারম্যান এবং ইউপি সদস্য কে জানিয়ে এসেছি।হানিফের ভাই কে তার ঠিকানা জানতে চাইলে বলে আমার ঠিকানা হল ঢাকা বিভাগের নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া থানার আশুজিয়া ইউনিয়ন। তখন মেম্বার সেকেন্দার আলী কামারজানী ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রে এসে উক্ত ঠিকানা এবং চেয়ারম্যানের মোবাইল নাম্বার হানিফ পাগলার ভাইয়ের অজানাতেই উদ্যোক্তার নিকট ইন্টারনেটের মাধ্যমে জানতে চায়। তখন ইউনিয়ন ওয়েবপোর্টাল থেকে উক্ত ঠিকানা সার্চ করে সেই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের মোবাইল নাম্বার নিয়ে চেয়ারম্যান কে কল করা হলে চেয়ারম্যান সাহেব বলেন, আমি বিষয়টি অবগত আছি এবং হানিফ কে আনার জন্য কাঞ্চন নামের এক ছেলে কে পাটিয়েছি। চেয়ারম্যান সাহেবের কথা শুনে কামারজানীর ইউপি মেম্বার সেকেন্দার আলী ও মতিয়ার রহমান সহ আরো স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি মিলে সবাই হানিফ পাগল কে তার বড় ভাইয়ের হাতে সোপর্দ করা হয়।
এই রকম ডিজিটাল বাংলাদেশের ডিজিটাল ফলাফল সবাই পেতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস